সংক্ষেপে মহাভারতের কাহিনী

 সংক্ষেপে মহাভারতের কাহিনী



( ১ ) আদি পর্ব 


অনেক কাল আগের কথা । ভারতবর্ষে হস্তিনাপুর নামে এক রাজ্য ছিল । এক সময় তার রাজা ছিলেন শান্তনু । শান্তনুর তিন ছেলে - দেবব্রত , চিত্রাঙ্গদ ও বিচিত্রবীর্য । দেবব্রত বড় । কিন্তু তিনি এক ভীষণ প্রতিজ্ঞা করেছিলেন- বিয়ে করবেন না এবং সিংহাসনেও বসবেন না । এ ভীষণ প্রতিজ্ঞা করার জন্য তাঁর নাম হয় ভীষ্ম । চিত্রাঙ্গদ অল্প বয়সে মারা যান । তাই শান্তনুর পর বিচিত্রবীর্য রাজা হন । তাঁর দুই ছেলে - ধৃতরাষ্ট্র ও পাণ্ডু । ধৃতরাষ্ট্র ছিলেন জন্মান্ধ । তাই বিচিত্রবীর্যের মৃত্যুর পর পাণ্ডু রাজা হন । ধৃতরাষ্ট্রের একশত ছেলে ও এক মেয়ে । বড় ছেলের নাম দুর্যোধন । দুর্যোধনদের বলা হয় কৌরব । পাণ্ডুর পাঁচ ছেলে । বড় ছেলের নাম যুধিষ্ঠির । এঁদের বলা হয় পাণ্ডব । পাণ্ডুর মৃত্যুর পর যুধিষ্ঠিরকে যুবরাজ করা হলো । কিন্তু দুর্যোধন তা মেনে নিলেন না । তিনি পাণ্ডবদের মেরে ফেলার জন্য অনেক চেষ্টা করেন । কিন্তু তাঁরা রক্ষা পেয়ে যান । পরে ধৃতরাষ্ট্র পাণ্ডবদের অর্ধেক রাজ্য দান করলেন । খাণ্ডবপ্রস্থ হলো পাণ্ডবদের রাজ্য ।


( ২ ) সভা পর্ব 


পাণ্ডবদের রাজ্যছাড়া করার জন্য দুর্যোধন নতুন ফন্দি আঁটলেন । তিনি যুধিষ্ঠিরকে পাশা খেলায় আমন্ত্রণ জানালেন । যুধিষ্ঠির পাশা খেলায় হেরে গেলেন । শর্ত অনুযায়ী পাণ্ডবরা স্ত্রী দ্রৌপদীসহ বনবাসে গেলেন ।


( ৩ ) বন পর্ব 


পাণ্ডবরা বনে বনে ঘুরে বেড়াতে লাগলেন । এভাবে বারো বছর কেটে গেল । এরপর তাঁর ছদ্মবেশে প্রবেশ করলেন বিরাট রাজার রাজ্যে ।


( ৪ ) বিরাট পর্ব 


পাশা খেলায় পাণ্ডবদের জন্য একটা শর্ত ছিল । বারো বছর বনবাসে কাটানোর পরে এক বছর অজ্ঞাতবাসে থাকতে হবে । তাই বিরাট রাজ্যে তাঁরা এক বছর অজ্ঞাতবাসে ছিলেন ।


( ৫ ) উদ্যোগ পর্ব 


পাণ্ডবরা শর্ত পূরণ করে দ্রৌপদীসহ হস্তিনাপুরে ফিরে এলেন । কিন্তু দুর্যোধন তাঁদের প্রাপ্য রাজ্য ফিরিয়ে দিলেন না । যুধিষ্ঠির তখন পাঁচ ভাইয়ের জন্য পাঁচটি গ্রাম চাইলেন । দুর্যোধন তাও দিলেন না । কৃষ্ণ উভয় পক্ষের মধ্যে শান্তি স্থাপনের চেষ্টা করলেন । কিন্তু সব চেষ্টাই ব্যর্থ হলো । তখন পাণ্ডব ও কৌরব উভয় পক্ষ যুদ্ধের উদ্যোগ গ্রহণ করল।


( ৬ ) ভীষ্ম পর্ব 


হস্তিনাপুরের কাছে কুরুক্ষেত্র নামে একটি প্রান্তর ছিল । সেখানেই পাণ্ডব ও কৌরবদের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হবে । দুপক্ষই প্রস্তুত । কৌরবদের সেনাপতি ভীষ্ম । আর পাণ্ডবদের সেনাপতি অর্জুন । শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনের রথের সারথি হন । যুদ্ধক্ষেত্রে বিপক্ষে গুরুজন ও আত্মীয় - স্বজনদের দেখে অর্জুনের মন বিষাদগ্রস্ত হয় । তিনি শ্রীকৃষ্ণকে বলেন , আত্মীয় স্বজনরাই যদি না থাকে তাহলে সেই রাজ্যে সুখ কোথায় ? শ্রীকৃষ্ণ তখন অর্জুনকে বলেন — এ যুদ্ধ ধর্মযুদ্ধ । ধর্মের জন্য , ন্যায়ের জন্য যুদ্ধ করলে তাতে পাপ হয় না । এতে অর্জুনের মন শান্ত হয় । তিনি যুদ্ধ করতে উদ্যোগী হন । মহাভারতে বর্ণিত অর্জুনের প্রতি শ্রীকৃষ্ণের এই উপদেশসমূহ পৃথকভাবে শ্রীমদ্ভগবদ্‌গীতা নামে পরিচিত । দশদিন ধরে ভীষণ যুদ্ধ হয় । ভীষ্মের শরীরে এত শর নিক্ষিপ্ত হয় যে , তাঁর দেহ মাটিতে পড়ে না । তিনি শরের উপর শুয়ে থাকেন । একেই বলে ‘ ভীষ্মের শরশয্যা ।


( ৭ ) দ্ৰোণ পর্ব 


ভীষ্মের পর কৌরব পক্ষের সেনাপতি হন দ্রোণাচার্য । ভয়ঙ্কর যুদ্ধ শুরু হয় । অর্জুন একদিকে যুদ্ধে ব্যস্ত । অন্যদিকে দ্রোণাচার্য চক্রব্যূহ রচনা করেন । অর্জুনের পুত্র অভিমন্যু তার মধ্যে প্রবেশ করেন । তিনি একা । অপরদিকে সাতজন রথী একসঙ্গে তাঁকে আক্রমণ করেন । অভিমন্যু নিহত হন । এতে অর্জুন ভীষণ ক্রুদ্ধ হন । যুদ্ধ চলতে থাকে । এক পর্যায়ে দ্রোণাচার্য নিহত হন । এতে তাঁর পুত্র অশ্বত্থামা ভীষণ ক্রুদ্ধ হন ।


( ৮ ) কৰ্ণ পৰ্ব 


দ্রোণাচার্যের মৃত্যুর পর মহাবীর কর্ণ কৌরবদের সেনাপতি হন । দুই পক্ষে তুমুল যুদ্ধ শুরু হয় । কর্ণের হাতে অর্জুন ছাড়া পাণ্ডবদের সবাই পরাজিত হন । অন্যদিকে ভীমের হাতে দুর্যোধনের ভাইয়েরা একে একে নিহত হতে থাকেন । তারপর এক পর্যায়ে অর্জুনের হাতে কৰ্ণ নিহত হন ।


( ৯ ) শল্য পর্ব 


কর্ণের পর কৌরবদের সেনাপতি হন রাজা শল্য । দুই পক্ষে ভীষণ যুদ্ধ বাধে । এক পর্যায়ে যুধিষ্ঠিরের হাতে শল্য নিহত হন । সহদেবের হাতে নিহত হন দুর্যোধনের মামা শকুনি । দুর্যোধন পালিয়ে দ্বৈপায়ন হ্রদে লুকিয়ে থাকেন । এ - কথা জানতে পেরে পাণ্ডবরা সেখানে যান । তাঁরা দুর্যোধনকে অনেক তিরষ্কার করেন । দুর্যোধন হ্রদ থেকে বেরিয়ে আসেন । ভীম ও দুর্যোধনের মধ্যে গদাযুদ্ধ শুরু হয় । ভীমের গদাঘাতে দুর্যোধনের উরু ভেঙে যায় । তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ।


( ১০ ) সৌপ্তিক পর্ব 


সুপ্ত শব্দের অর্থ ঘুমন্ত । এই পর্বে অশ্বত্থামা ঘুমন্ত পাণ্ডব সৈন্যদের হত্যা করেন । তাই এই পর্বের নাম হয় সৌপ্তিক পর্ব । অশ্বত্থামা পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য গভীর রাতে পাণ্ডব শিবিরে প্রবেশ করেন । একে একে তিনি অনেককে হত্যা করেন । দ্রৌপদীর পাঁচ পুত্রকেও তিনি হত্যা করেন পঞ্চপাণ্ডব ভেবে । কিন্তু পাণ্ডবরা ঐ শিবিরে ছিলেন না । অশ্বত্থামা পাঁচ পুত্রের মাথা নিয়ে আহত দুর্যোধনের নিকট যান । দুর্যোধন বুঝতে পারেন এরা পাণ্ডব নন । পঞ্চপাণ্ডবের পুত্র । তিনি খুব দুঃখ পেলেন । দুঃখে - কষ্টে তাঁর মৃত্যু হলো । দ্রৌপদী পুত্রশোকে হাহাকার করতে লাগলেন । পাণ্ডব শিবিরে শোকের ছায়া নেমে এলো ।


( ১১ ) স্ত্রী পর্ব 


আঠারো দিন পর কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ শেষ হয় । ধৃতরাষ্ট্রের শতপুত্রের মধ্যে কেউই বেঁচে নেই । হস্তিনার ঘরে ঘরে শুধু কান্না । কৌরব স্ত্রীগণসহ ধৃতরাষ্ট্র এসেছেন যুদ্ধক্ষেত্রে । তাঁরা আত্মীয়দের মৃতদেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন । ব্যাসদেব ধৃতরাষ্ট্রকে অনেক বোঝালেন । তারপর মৃতদেহের সৎকার করে সকলে গেলেন গঙ্গার তীরে । সেখানে সকলে মৃতদের উদ্দেশে জলাঞ্জলি দিলেন । গান্ধারী পুত্রশোকে পাগলের ন্যায় হয়ে গেলেন । শ্রীকৃষ্ণ তাঁকে অনেক বোঝালেন ।


( ১১ ) স্ত্রী পর্ব 


আঠারো দিন পর কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ শেষ হয় । ধৃতরাষ্ট্রের শতপুত্রের মধ্যে কেউই বেঁচে নেই । হস্তিনার ঘরে ঘরে শুধু কান্না । কৌরব স্ত্রীগণসহ ধৃতরাষ্ট্র এসেছেন যুদ্ধক্ষেত্রে । তাঁরা আত্মীয়দের মৃতদেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন । ব্যাসদেব ধৃতরাষ্ট্রকে অনেক বোঝালেন । তারপর মৃতদেহের সৎকার করে সকলে গেলেন গঙ্গার তীরে । সেখানে সকলে মৃতদের উদ্দেশে জলাঞ্জলি দিলেন । গান্ধারী পুত্রশোকে পাগলের ন্যায় হয়ে গেলেন । শ্রীকৃষ্ণ তাঁকে অনেক বোঝালেন ।


( ১২ ) শাস্তি পর্ব 


এবার যুধিষ্ঠিরের রাজা হওয়ার পালা । কিন্তু তিনি রাজা হতে চাইলেন না । কারণ এত লোক হত্যা করে রাজা হওয়ার ইচ্ছে তাঁর নেই । শ্রীকৃষ্ণ যুধিষ্ঠিরকে অনেক বোঝালেন । অনেক উপদেশ দিলেন । তাঁর মন শান্ত হলো । তিনি রাজা হলেন । তারপর গেলেন ভীষ্মের কাছে এবং তাঁকে প্রণাম করলেন । ভীষ্মও তাঁকে অনেক উপদেশ দিলেন ।


( ১৩ ) অনুশাসন পর্ব 


যুধিষ্ঠির ভীষ্মের কাছ থেকে ধর্ম , শান্তি প্রভৃতি সম্পর্কে জানলেন । ভীষ্মকে শরশয্যায় রক্তাক্ত অবস্থায় দেখে যুধিষ্ঠির খুব লজ্জা পাচ্ছিলেন । ভীষ্ম তাঁকে বললেন , এতে তোমার কোনো দোষ নেই । যুদ্ধ করা ক্ষত্রিয়ের ধর্ম । তুমি সেই ধর্ম পালন করেছ । এরপর তিনি ত্রযুধিষ্ঠিরকে অতিথিসেবা , আত্মশক্তি , গুরুভক্তি , সদাচার প্রভৃতি বিষয়ে অনেক উপদেশ দিলেন । তারপর তিনি স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণ করেন , কারণ তাঁর ছিল ইচ্ছামৃত্যু ।


( ১৩ ) অনুশাসন পর্ব 


যুধিষ্ঠির ভীষ্মের কাছ থেকে ধর্ম , শান্তি প্রভৃতি সম্পর্কে জানলেন । ভীষ্মকে শরশয্যায় রক্তাক্ত অবস্থায় দেখে যুধিষ্ঠির খুব লজ্জা পাচ্ছিলেন । ভীষ্ম তাঁকে বললেন , এতে তোমার কোনো দোষ নেই । যুদ্ধ করা ক্ষত্রিয়ের ধর্ম । তুমি সেই ধর্ম পালন করেছ । এরপর তিনি ত্রযুধিষ্ঠিরকে অতিথিসেবা , আত্মশক্তি , গুরুভক্তি , সদাচার প্রভৃতি বিষয়ে অনেক উপদেশ দিলেন । তারপর তিনি স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণ করেন , কারণ তাঁর ছিল ইচ্ছামৃত্যু ।


( ১৫ ) আশ্রমবাসিক পর্ব 


যুধিষ্ঠিরের রাজত্বে সকলে সুখেই ছিলেন । দেখতে দেখতে পনেরো বছর কেটে গেল । এমন সময় একদিন ধৃতরাষ্ট্র বললেন তিনি বনে যাবেন । পাণ্ডবগণ বনে না যাওয়ার জন্য তাঁকে অনেক অনুরোধ করলেন । কিন্তু তিনি সিদ্ধান্তে অটল । অতঃপর ধৃতরাষ্ট্র , গান্ধারী , বিদুর , কুন্তী ও সঞ্জয় বনে চলে গেলেন । বিদুর কঠোর তপস্যায় দেহত্যাগ করেন । তারপর একদিন দাবানলে ধৃতরাষ্ট্র , গান্ধারী এবং কুন্তী পুড়ে মারা যান । আর সঞ্জয় হিমালয়ে চলে যান ।


( ১৫ ) আশ্রমবাসিক পর্ব 


যুধিষ্ঠিরের রাজত্বে সকলে সুখেই ছিলেন । দেখতে দেখতে পনেরো বছর কেটে গেল । এমন সময় একদিন ধৃতরাষ্ট্র বললেন তিনি বনে যাবেন । পাণ্ডবগণ বনে না যাওয়ার জন্য তাঁকে অনেক অনুরোধ করলেন । কিন্তু তিনি সিদ্ধান্তে অটল । অতঃপর ধৃতরাষ্ট্র , গান্ধারী , বিদুর , কুন্তী ও সঞ্জয় বনে চলে গেলেন । বিদুর কঠোর তপস্যায় দেহত্যাগ করেন । তারপর একদিন দাবানলে ধৃতরাষ্ট্র , গান্ধারী এবং কুন্তী পুড়ে মারা যান । আর সঞ্জয় হিমালয়ে চলে যান ।


( ১৭ ) মহাপ্রস্থানিক পর্ব 


যদুবংশ ধ্বংস এবং শ্রীকৃষ্ণের মৃত্যুতে পান্ডবরা খুব কষ্ট পেলেন । তাঁরা অভিমন্যুর পুত্র পরীক্ষিৎকে সিংহাসনে বসিয়ে দ্রৌপদীসহ রাজ্য ছেড়ে চলে গেলেন । তাঁরা হিমালয়ের পথে অগ্রসর হলেন । পথে একে একে দ্রৌপদী ও চার ভাইয়ের মৃত্যু হলো । এমন সময় দেবরাজ ইন্দ্র এলেন যুধিষ্ঠিরকে স্বর্গে নিয়ে যাবার জন্য । কিন্তু যুধিষ্ঠির বললেন , তিনি দ্রৌপদী এবং ভাইদের ছেড়ে স্বর্গে যাবেন না । দেবরাজ তাঁকে আশ্বস্ত করে বললেন যে , স্বর্গে তাঁদের সঙ্গে দেখা হবে । অতঃপর যুধিষ্ঠির সশরীরে স্বর্গে গেলেন ।


( ১৮ ) স্বর্গারোহণ পর্ব 


স্বর্গে গিয়েও যুধিষ্ঠিরের মন ভালো নেই । দেবরাজ সেটা বুঝতে পারলেন । তখন তিনি যুধিষ্ঠিরকে তাঁর ভাইদের কাছে নিয়ে যেতে দেবদূতদের আদেশ দিলেন । তাঁরা তখন নরকে । কারণ সামান্য পাপ করলেও কিছু - না - কিছু নরক ভোগ করতে হয় । যুধিষ্ঠির নরকে গিয়ে নরকবাসীদের ভীষণ কষ্ট দেখতে পেলেন । কিন্তু তাঁর উপস্থিতিতে নরকবাসীদের কষ্ট দূর হয়ে গেল । তিনি দ্রৌপদী , চার ভাই এবং অন্যান্য আত্মীয় স্বজনদের সঙ্গে মিলিত হলেন । তাঁদের নিয়ে তিনি স্বর্গে গেলেন ।


🙏 জয় শ্রী কৃষ্ণ 🙏


আমরা সংক্ষেপে মহাভারতের কাহিনী শুনলাম । এ কাহিনী অমৃত সমান । মহাভারতের মূল কথাই হচ্ছে , সত্যের জয় , অসত্যের পরাজয় । সত্য শেষ পর্যন্ত জয়ী হয় । ‘ যথা ধর্ম তথা জয় । ' কখনই কেবল নিজের সুখ কামনা করতে নেই । সকলকে নিয়ে সুখী হওয়াই মানুষের লক্ষ্য হওয়া উচিত । তবেই প্রকৃত সুখী হওয়া যায় । যুধিষ্ঠিরের জীবনেও আমরা তাই দেখতে পাই । আর অধর্ম আচরণ করলে তার বিনাশ হয় । দুর্যোধন তথা কৌরবদের জীবনে তা - ই ঘটেছিল । আমরা সর্বদা সত্য ও ধর্মের পথে থাকব । এই নৈতিক শিক্ষাই আমরা মহাভারত থেকে পাই । তাই আমরা সবাই মহাভারত পড়ব এবং এর শিক্ষা জীবনে কাজে লাগাব ।

Comments